বিশ্বকাপে খেলতে না পারায় ২ জন ক্রিকেটার কোমাতে চলে গিয়েছিল: কোচ সালাউদ্দিন

নিরাপত্তা শঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশ দলকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি। যার কারণে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বিশ্বকাপ খেলতে না পারার সেই কষ্ট নিয়ে মুখ খুলেছেন বিসিবির সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে খেলতে না পারায় ২ ক্রিকেটার কোমাতে চলে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন  অন্যতম সেরা এই কোচ।

বিসিবির সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, সালাউদ্দিন বলেন, ‘কলকাতা শ্রীলঙ্কাতে খেলা দেখার পরে মনে হলো যে উইকেটটা হয়তো আমাদের জন্য অনেক দারুণ হতো। আমরা হয়তো এই উইকেটে ভালো করতে পারতাম। খেলা যেরকম মান হচ্ছে সে অনুযায়ী আমার কাছে মনে হচ্ছে যে এখানে আমাদের ভালো করার অনেক সুযোগ ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন আফসোস করে তো লাভ নাই। টি-টোয়েন্টি দল হিসেবে আমাদের দলটা অনেক গোছানো ছিল এবং এই বিশ্বকাপটা ঘিরে আমাদের অনেক স্বপ্ন ছিল। কিন্তু আমার মনে হয় যে উইকেটটাও আমাদের ফেভারে ছিল। সবদিক দিয়ে আমার মনে হয় যে আমাদের ভালো করার সুযোগ ছিল।’

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ খেলতে না পারায় দুইজন ক্রিকেটার কোমাতে চলে গিয়েছিল জানিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি তো জানি আমার দুইটা খেলোয়াড় প্রায় কোমাতে চলে গিয়েছিল। পাঁচ দিন ধরে কোথায় যেন হারায় গিয়েছিল তারা। আমরা তাদের (অদম্য কাপ) টুর্নামেন্টে মাঠে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি ওইটাই বেশি। এটা সবচেয়ে বড় সাফল্য আমার জীবনে। যে সে মাঠে আসছে এবং এসে আবার রান করেছে।’

বিশ্বকাপ শুরুর আগে সদ্য সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ না খেলা সরকারের সিদ্ধান্ত। পরে বক্তব্য পাল্টে আসিফ নজরুল জানান, এটি সরকারের নয়, বরং বিসিবি এবং ক্রিকেটারদের সিদ্ধান্ত ছিল।

 

এমন বক্তব্যের জন্য আসিফ নজরুলের কড়া সমালোচনা করে সালাউদ্দিন বলেন, ‘উনি (আসিফ নজরুল) খাড়ার ওপর এরকম মিথ্যা কথা বলবে আমি আসলে ভাবতেও পারছি না। আমি কীভাবে আসলে ছেলেদের সামনে মুখ দেখাবো। উনি একজন শিক্ষক মানুষ, ঢাকা ইউনিভার্সিটির শিক্ষক। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের একজন শিক্ষক এভাবে মিথ্যা বলবে আমরা আসলে এটা মানতে পারতেছি না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *