সহজেই ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্র জানার ৪ উপায়

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোট প্রদানের পূর্বে নিজের ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ভোটের সময় অনেকেই জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরকেই ভোটার নম্বর মনে করেন। তবে, পরিচয়পত্র নম্বর ও ভোটার নম্বর দুটোই ভিন্ন।

এতে ভোট দিতে গিয়ে পড়তে হয় নানা বিড়ম্বনায়, অপচয় হয় সময়। তাই ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগেই জেনে নিলে আর কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না।

 

এবারের নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন ঘরে বসেই ভোটার নম্বর ও কেন্দ্রের তথ্য জানার কয়েকটি সহজ পদ্ধতি চালু রেখেছে। এসব পদ্ধতি অনুসরণ করে সহজেই জেনে নেওয়া যাবে ভোট কেন্দ্র ও ভোটার নম্বর।

গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ অ্যাপ ইনস্টল করে অ্যাপে প্রবেশ করতে হবে। এর পর ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ নির্বাচন করে ‘ভোটকেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে। তারপর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জন্ম তারিখ প্রদান করলে ভোটার নম্বর, ক্রমিক নম্বর, কেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা দেখা যাবে।

ভোটাররা ১০৫ নম্বরে কল করে ভোটার নম্বর ও কেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে ১০৫ নম্বরে কল করে অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ প্রেস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ জানা থাকতে হবে।

 

এ ছাড়া এসএমএসের মাধ্যমেও জেনে নেওয়া যাবে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য। এজন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে- PC <স্পেস> এনআইডি নম্বর। এর পর তা ১০৫ নম্বরে প্রেরণ করতে হবে।ফিরতি এসএমএসে ভোটার নম্বর ও কেন্দ্রের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।

 

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেও জেনে নেওয়া যাবে এসব তথ্য। সেজন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘ভোটকেন্দ্র’ মেনু থেকে তথ্য খুঁজে নিতে হবে। সেখানে এলাকা ও উপজেলা/থানা নির্বাচন করে কেন্দ্রের তালিকা দেখা সম্ভব। এ ছাড়া এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে অনুসন্ধান করলেও ভোটার নম্বর ও কেন্দ্রের তথ্য পাওয়া যাবে। অনেক ক্ষেত্রে কেন্দ্রের অবস্থান গুগল ম্যাপেও দেখা যায়।

আজ বুধবার রাত পেরোলেই সকাল থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ। আগে থেকে নিজের ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্র নিলে পরবর্তী সময় কোনো জটিলতায় পড়তে হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *