অবশেষে থামল বায়ার্ন মিউনিখের অপরাজেয় দৌড়। চলতি মরশুমে সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে ১৮ ম্যাচের মধ্যে ১৭টি জয় পেয়েছিল তারা। মাত্র একটি ম্যাচে ড্র করে ভিনসেন্ট কোম্পানির ছেলেরা। তবে বুধবার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আসরে অবশেষে প্রথম হারের স্বাদ পেল জার্মান ক্লাবটি। অ্যাওয়ে ম্যাচে আর্সেনালের কাছে ১-৩ গোলে বশ মানলেন হ্যারি কেনরা। আর এই জয়ের সুবাদে ৫ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকায় শীর্ষে উঠে এল গানাররা। সমসংখ্যক ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে নামল বায়ার্ন। ম্যাচে লন্ডনের ক্লাবটির হয়ে জাল কাঁপান যথাক্রমে জুরিয়েন টিম্বার, নোনি মাডুকে ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। বায়ার্নের একমাত্র গোলদাতা লেনার্ট কার্ল।
অন্যদিকে, খারাপ ফর্ম অব্যাহত লিভারপুলের। বুধবার ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে ঘরের মাঠে পিএসভি’র কাছে ১-৪ গোলে বশ মানল আর্নে স্লট ব্রিগেড। সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে শেষ ১২টি ম্যাচের মধ্যে এটি তাদের নবম হার। অথচ টানা ৭ ম্যাচে জয় দিয়ে মরশুম শুরু করেছিলেন সালাহরা। তবে হঠাৎই দলের এই ছন্দ পতনে রীতিমতো হতবাক কোচ স্লট। ডাচ ক্লাবটির হয়ে জোড়া গোল কৌহাইব ড্রিউয়েচের। এছাড়া স্কোরশিটে নাম তোলেন ইভান পারিসিচ ও গুস তিল। লিভারপুলের একমাত্র গোলটি ডোমিনিক সোবোসলাইয়ের। এই হারের ফলে পয়েন্ট তালিকায় ১৩ নম্বরে নামল লিভারপুল। উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালের পর এমন খারাপ সময় আসেনি ক্লাবে।
দিনের অপর ম্যাচে টটেনহ্যাম হটস্পারকে ৫-৩ গোলে হারাল পিএসজি। ম্যাচে দুরন্ত হ্যাটট্রিক ভিতিনহার। এছাড়া প্যারিসের ক্লাবটির হয়ে স্কোরশিটে নাম তোলেন ফাবিয়ান রুইজ ও উইলিয়ান পাচো। টটেনহ্যামের হয়ে জোড়া লক্ষ্যভেদ রানডাল কোলো মুয়ানির। অন্য গোলটি রিচার্লিসনের। এই জয়ের সুবাদে ৫ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল পিএসজি। এদিন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জিতল আতলেতিকো মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে ইন্তার মিলানকে ২-১ গোলে হারাল ডিয়েগো সিমোনে-ব্রিগেড।
